1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জে বাইশগাঁও বাজারের ব্রিজের গার্ডার ভাঙার অভিযোগ, তদন্তে এলজিইডি মদিনায় মহি কন্ট্রাক্টিং কোম্পানির প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন আগামীকাল সকাল ১০টায় কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন মেজর আখতারুজ্জামান আকাশে তাকিয়ে থাকি -কোহিনূর আক্তার মনোহরগঞ্জে এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে অসন্তোষ, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি মনোহরগঞ্জে আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের সংবাদ সম্মেলন মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৩১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মোবারক, সম্পাদক মেহেদী মনোহরগঞ্জে আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অস্ত্রের মহড়ার টিকটক ভিডিও: মনোহরগঞ্জে কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার মনোহরগঞ্জে শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন।

‘কত টাকা দিতে হবে সংবাদ না করার জন্য’

অনলাইন ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে

পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে কোটি টাকা বাণিজ্যের জন্য গোপনে নিয়োগ প্রক্রিযার অভিযোগ উঠেছে তারাগঞ্জ ও/এ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে জানতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তিনি। শুধু তাই নয়, সাংবাদিকদের হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে ফোনে ডেকে আনেন তিনি। মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর দুপুর ১টায় অধ্যক্ষের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় দুই সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহের জন্য অধ্যক্ষের অফিসকক্ষে ঢুকতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় কক্ষের ভেতরে উপস্থিত ছিলেন কুর্শা ইউনিয়নের সাবেক কাজি শাহা কাজি। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, সাংবাদিকরা গত ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানে কোনো নিয়োগ কার্যক্রম চলমান আছে কি না, কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে কি না—এমন নিয়মবহির্ভূত বা গোপন নিয়োগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালাম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এসময় তিনি বলেন, ‘আমি কি চুরি করছি? কেন আপনারা সংবাদ করবেন? কত টাকা দিতে হবে সংবাদ না করার জন্য?’

এছাড়া অধ্যক্ষ উত্তেজিত হয়ে বারবার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন এবং সাংবাদিকদের ‘ধরে নেওয়ার’ আহ্বান জানান। কিছুক্ষণের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা এসে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন এবং মব তৈরির চেষ্টা করেন।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালাম তারাগঞ্জ ও/এ কামিল মাদ্রাসায় নৈশপ্রহরী, আয়াসহ চারটি পদে টাকার বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীদের চাকরি দিতে গোপনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরিফ শেখ বলেন,‘আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু অধ্যক্ষ আমাদের অপমান, ভয়ভীতি এবং হেনস্তার চেষ্টা করেছেন। এমনকি স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ডেকে মব তৈরির চেষ্টা করেন। বিষয়টি ন্যায়বিচারের স্বার্থে তদন্ত হওয়া জরুরি’

আরেক সাংবাদিক লাতিফুল সাফি ডায়মন্ড বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা রয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে অডিও–ভিডিও প্রমাণ হিসেবে জমা দেব।’

এদিকে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সাংবাদিকরা।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ এস এম আব্দুস সালামের মুঠোফোনে কল করে হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর কল কেটে দেন।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগ পেয়েছি। তবে ওই মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি একজন এডিসি স্যার। আমি অভিযোগকারীদের সভাপতির কাছে আবেদন করতে বলেছি। আশা করি তিনি বিষয়টি দেখবেন।’

জানতে চাইলে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফুল আলম বলেন, ‘আয়া, নৈশপ্রহরীসহ চার পদে ওই মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এজন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। তথ্য গোপন করার তো কোনো কারণ নেই। অধ্যক্ষ কেন এমন করলো, উনার সঙ্গে কথা বলব।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট