1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : অর্থ উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৫৯ বার পড়া হয়েছে

ট্রাকে করে নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য কম দামে কৃষিপণ্যের বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলতি জানুয়ারি থেকেই বিশেষ এই ওএমএস বন্ধ হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, বিশেষ ওএমএসের মাধ্যমে ৬৫০ টাকায় যে ১০টি কৃষিপণ্যের প্যাকেজ দেওয়া হত তা স্থগিত করা হয়েছে।

ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর বাড়ানো হচ্ছে না। ১৫ অক্টোবর কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই বিশেষ ওএমএস চালু করেছিল সরকার। ৮ লাখের বেশি মানুষ এই কার্যক্রমের সরাসরি সুবিধাভোগী ছিলেন।

তিনি বলেন, বাজার সহনীয় রাখতে কাজ করছে সরকার।

সালেহউদ্দিন বলেন, চালের দাম কিছুটা কমেছে। অন্যান্য পণ্যের দামও নিয়ন্ত্রণে আছে। সম্প্রতি যেসব সেবা ও পণ্যের ভ্যাট ও কর বাড়ানো হয়েছে তা আগামী বাজেটে সমন্বয় করা হবে। তবে সার্বিকভাবে ভ্যাট বৃদ্ধিতে বাজারে প্রভাব পরেনি বলে আবারো দাবি করেছেন অর্থ উপদেষ্টা।

গত অক্টোবরে রাজধানীতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকি মূল্যে সবজিসহ কৃষিপণ্য বিক্রি শুরু হয়। প্রতিদিন ঢাকার ২০টি এলাকায় এসব পণ্য বিক্রি করা হয়। সরকারের কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে। এর আওতায় ৬৫০ টাকা প্যাকেজে দেওয়া হচ্ছিল ১০টি পণ্য। এর মধ্যে ছিল ডিম এক ডজন, আলু এক কেজি, পেঁয়াজ এক কেজি, পেঁপে এক কেজি, কুমড়া এক টুকরো, করলা এক কেজি, পটল এক কেজি, লাউ একটি, কচুরমুখি এক কেজি ও কাঁচা মরিচ এক কেজি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট