1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

দেশের সব রক্তাক্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত আ.লীগ: রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

এদেশে যত রক্তাক্ত ঘটনা সবগুলোর সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, একটা দেশে যখন নৈরাজ্য রক্তপাত অন্যায় অবিচার শুরু হয় তখন সাধারণত দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসে। সেনাবাহিনী দেশের জনগণের একটি বাহিনী। তারা দেশের জনগণের পক্ষে থাকবে। বিভিন্ন সময় বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এরকম হয়েছে। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট যে মর্মান্তিক ঘটনাটা ঘটেছে সেই ঘটনার সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের লোকজন জড়িত।

বুধবার (৬ নভেম্বর) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ৩ নভেম্বর আরেকটা ঘটনা ঘটলো। দেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ল তখন সেনাবাহিনী তাদের যে নির্দিষ্ট সীমা সেই সীমা থেকে বেরিয়ে আসলো এবং দেশের জনগণ তাদের অধিকার আদায়ের জন্য বেরিয়ে আসলো। তখন এক মহাবিপ্লব সংঘটিত হল। পরাজিত শক্তি যারা এদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল তাদেরই একটা অংশ পরাজিত হল। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান তখন জেলে ছিলেন। তিনি জেল থেকে বের হলেন এদেশের জনগণ আশা দেখলেন তারা গণতন্ত্র ফিরে পাবেন। মুক্তির যে ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা সেটা ফিরে পাব। এই স্বপ্ন পূরণে এক অদম্য সাহসী রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকায় আবির্ভাব হলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

রিজভী আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের স্পিডটা হচ্ছে যে দেশীয় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখা। ৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত সেই নিশ্চয়তা ছিল না। অন্য দেশের হুকুমের গোলাম ছিল। কিন্তু ৭ নভেম্বরের পড়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান যখন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিলেন তখন একটা স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি কৃষি-নীতি শিল্পনীতি করলেন।

বিএনপির মুখপাত্র বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র জনতা সম্মিলিতভাবে রাস্তায় নেমে এসেছে। এখানে ছাত্রদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা সামনের কাতারে দাঁড়িয়ে জীবনকে উৎসর্গ করে শেখ হাসিনাকে পতন করেছে। ৭ নভেম্বরে যে স্পিডটা দেখেছি সেটাই এখানে কাজে লাগিয়েছে। এখন আমাদের আরও কিছু কাজ বাকি আছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। ৭ নভেম্বরের চেতনা যুগ যুগ ধরে থাকবে। যখনই কোন সরকার ফ্যাসিবাদ রূপ ধারণ করবে একনায়তন্ত্র ধারণ করবে গণতন্ত্র হত্যা করবে তখনই ৭ নভেম্বরের চেতনায় তাদের বিরুদ্ধে জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট