মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) সংবাদাতা
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাটি বিক্রির অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাব ঠিকাদার ও মৈশাতুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। এ
সাংবাদিক সম্মেলনে জাহাঙ্গীর আলম তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বলেন, আমি আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কোনো মাটি বিক্রি করিনি। ভবন নির্মাণের সময় অতিরিক্ত মাটি স্কুল আঙ্গিনায় রাখার জায়গা সংকুলান না হওয়ায় সাময়িক সময়ের জন্য অন্যাত্র সরিয়ে নিয়েছি। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে অনিয়ম কিংবা চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে প্রমাণ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়ে থাকলে, সে বিষয়েও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “৫ আগস্টের পর থেকে বৃহত্তর মনোহরগঞ্জ উপজেলায় দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা চাঁদাবাজির সঙ্গে আমি জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারলে আমি তার জবাব দিতে প্রস্তুত।”
তিনি আরও বলেন, আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কাজের ঠিকাদারি নেওয়ায় সেই কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা তার দায়িত্ব। এ দায়িত্ব থেকে তিনি পিছপা হতে চান না।
নিজের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কিছু ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত সম্মান, রাজনৈতিক অবস্থান ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন বলে তিনি মনে করেন। বিশেষ করে, ৫ আগস্টের পর বিএনপিতে যোগদানকারী কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানান।
এ সময় সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রতি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের আহ্বান জানান জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, অপরাধ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একইভাবে, প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে কেউ তার সম্মানহানি করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইন ও দলীয় নীতিমালা অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোখলেছুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মো. ইদ্রিছ, মৈশাতুয়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল হোসেন, ইউনিয়ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন মিয়াজি এবং ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি জামাল হোসেন।