প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১৩, ২০২৬, ৬:২৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১৩, ২০২৬, ২:১৬ পি.এম
জনরায় মানে না যে সরকার, সে সরকার জনগণের সরকার হতে পারে না”
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, “দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা গণতন্ত্রের চেতনার পরিপন্থী। জনগণ তাদের ভোটাধিকার ও গণরায়ের যথাযথ প্রতিফলন দেখতে চায়। সরকার যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণই তার জবাব দেবে।”
তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে যোগ্য, সৎ ও দেশপ্রেমিক লোকদের মূল্যায়ন না করে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন এবং দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে। সংসদে জনগণের সমস্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে গেলেও নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ সংসদ জনগণের কথা বলার জায়গা।”
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তির কাছে ইজারা দেওয়া হবে না। দেশের ১৮ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এই দেশকে রক্ষা করবে। আমরা জাতির সঙ্গে বেঈমানি করবো না; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত আছি।”
তিনি বলেন, “দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আজ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এসব অপসংস্কৃতির অবসান ঘটবে। জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রাম চলবে সংসদেও, রাজপথেও। ভয়ভীতি, মামলা-হামলা কিংবা কারাবাসের হুমকি দিয়ে জনগণের আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না।”
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, “সরকার ঘোষিত বাজেট সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় জনগণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। অথচ বাজেটে এসব সংকট মোকাবিলায় কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা নেই।”
তিনি বলেন, “মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে জনগণের জীবনে যে দুর্ভোগ নেমে এসেছে, তা দেশের মানুষকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। সরকার জনগণের কষ্ট উপলব্ধি না করে সমালোচনাকে উপহাসের চোখে দেখছে। বাস্তবতা হলো, দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন আজ গভীর চাপের মধ্যে রয়েছে।”
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “ব্যাংকিং খাত, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য জাতীয় সম্পদকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া যাবে না। জনগণের আমানত ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে।”
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেন, “দেশের সার্বিক পরিস্থিতি জনগণকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং জননিরাপত্তার সংকট সাধারণ মানুষের জীবনকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। নারীরা ঘরের বাইরে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছে, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে।”
তিনি বলেন, “সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা অব্যাহত থাকলেও সরকারকে আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষায় শক্তিশালী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের বিকল্প নেই।”
কর্ণেল অলি আহমদ বলেন, “সরকারকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর নেতৃত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি। দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণেও সরকারের বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন।”
তিনি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সংস্কার ও সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে বলেন, “এটি শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং চট্টগ্রামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। সরকারের উদ্যোগে দ্রুত এর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত।”
আল্লামা মামুনুল হক বলেন, “জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও জনমতের বিপরীতে অবস্থান গ্রহণ না করে জনগণের দাবি মেনে নেওয়াই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার সঠিক পথ।”
ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, “জনগণের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আপসের কোনো সুযোগ নেই। সীমান্ত হত্যা ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।”
মাওলানা মুসা বিন ইজহার বলেন, “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে টালবাহানা বন্ধ করতে হবে। জনগণের ভোট ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলে জনগণই তার জবাব দেবে।”
ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, “নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশে জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে কোনো রাজনৈতিক শক্তি টিকে থাকতে পারবে না। জাতীয় স্বার্থ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”
ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, “দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জনগণ এসবের অবসান চায়।”
মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, “জুলাইয়ের চেতনা ছিল একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, “জুলাই চেতনা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। কর্তৃত্ববাদী ও স্বৈরশাসকদের পরিণতি কখনো শুভ হয় না। আমরা সরকারকে বিরোধী দলসমূহকে সঙ্গে নিয়ে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।”
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এমপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি মুখ্য সমন্বয়ক নাছির উদ্দিন পাটওয়ারি, নেজামে ইসলাম পার্টি কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আলী ওসমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি এড. আতিকুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি, জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা এস.এম সুজা উদ্দিন, জাতীয় নাগরিক পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী আহ্বায়ক মীর মো. শোয়াইব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি মাওলানা এমদাদুল্লাহ সোহাইল, খেলাফত মজলিশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি অধ্যাপক খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মাওলানা জিয়াউল হোসাইন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি সৈয়দ গিয়াসুদ্দিন আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি আবু মোজাফফর মুহাম্মদ আনাস, বাংলাদেশ লেবার পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি আলা উদ্দিন আলী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক এড. জোবায়ের মাহমুদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর আলা উদ্দিন সিকদার, কক্সবাজার জেলা আমীর ইসলামী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহম্মদ আনোয়ারী, চাকসু ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ মুমিনুল হকসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপা, লেবার পার্টি, এলডিপি, বিডিপি ও এবি পার্টির কেন্দ্রীয়, মহানগরী ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ।
উক্ত সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি ও ১১ দলীয় ঐক্যের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশের আহবায়ক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, রাঙ্গামাটি জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম, বান্দরবান জেলা আমীর মাওলানা আব্দুস ছালাম আজাদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, আমার বাংলাদেশ পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী আহ্বায়ক এডভোকেট গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম মহানগরীর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম লুৎফর রহমান, এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগরীর সদস্য সচিব আরিফ মঈনউদ্দীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা রিদুওয়ানুল ওয়াহিদ, নেজাম ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি আনোয়ার হোসাইন রব্বানী, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোস্তাফা কামাল, এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী সদস্য সচিব এড. আবুল কাশেম।
সমাবেশ শেষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।