প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ২, ২০২৬, ৭:০৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ২, ২০২৬, ৫:৪৯ এ.এম
মানুষ এবং জিন জাতিকে সৃষ্টি করলেন খোদা,
তাঁরই কেবল ইবাদতে মশগুল রবে সদা।
প্রশ্ন জাগে মনে তবে, চব্বিশ ঘণ্টা ধরে,
দুনিয়াদারী করব কখন, চলব কেমন করে?
উত্তর তার লুকিয়ে আছে নিয়ত এবং কাজে,
প্রভুর স্মরণ জড়িয়ে নাও সকল কর্ম-মাঝে।
সুবহে সাদিকে জাগবে যখন, পড়বে ফজরের সালাত,
কুরআনের ওই মধুর সুরে কাটবে প্রভাত।
যেকোনো ভালো কাজে বলবে 'বিসমিল্লাহ',
কাজের মাঝেও জিকির হবে, খুশি হবেন আল্লাহ।
চাষী যদি মাঠে নামে প্রভুর নামটা নিয়ে,
ইবাদতে কাটবে সময় ফসল ফলাতে গিয়ে।
টয়লেটেতে যাওয়ার আগে সুন্নাহ দোয়া পড়ে,
বাম পা দিয়ে ঢুকলে সেথা, সওয়াব তখনো ঝরে।
দিনের শেষে ক্লান্তি এলে, ওজুটা করে গায়,
ঘুমালে রাত ইবাদতে কাটবে যে দোয়ায়।
হাঁটতে হাঁটতে ইস্তিগফার, দরুদ পড়ো মুখে,
পরের ভালো করলে সাধন, শান্তি পাবে বুকে।
মিথ্যা-ঘুষের পথটি ছাড়ো, ছেড়ো না তো নামাজ,
যাকাত-রোজা-হজ্জে সাজাও তোমার জীবন-সমাজ।
ঘরে-বাইরে দেখা হলে সালাম দেবে আগে,
মা-বাবার ওই সেবায় যেন পরম ভক্তি জাগে।
হালাল রুজির খোঁজে তুমি ছুটবে যখন দ্বারে,
ইবাদতেরই সওয়াব খোদা লিখবেন হাজারে।
জিনা-ব্যভিচারের ওই পাপের দ্বারেও যেও না কভু,
পবিত্রতা বজায় রাখলে খুশি হবেন প্রভু।
এতিমের মাল বুঝিয়া দিও, মেরো না কারো হক,
পরের ধনে লোভ করিলে জীবন হবে নরক।
প্রতিবেশীর খোঁজ রেখো ভাই, দিও ক্ষিধায় অন্ন,
তোমার আচরণে যেন সুখী হয় অন্য।
ভিন্ন ধর্মের মানুষ যেন তোমার কাছে পায় নিরাপত্তা,
ইসলামেরই শিক্ষা এটি, সুমহান এক সত্য।
যে যেখানে আছো ভাই, যে দায়িত্বে রবে,
সততা আর নিষ্ঠা দিয়ে পালন করো তবে।
শয়তানের ওই কু-মন্ত্রণা, কুহক যাবে টুটে,
পরের হক না মারলে খোদার রহমত যাবে ফুটে।
চলবে যারা এই নিয়মে, জীবন সুধায় ভরে,
জান্নাত যে মিলবে তাদের পরকালের ঘরে।
আর যারা এই আদেশ ভুলে পাপের পথে হাঁটে,
জাহান্নামের কঠিন শাস্তি তাদের ভাগ্যে জোটে।
তাই তো চলো জীবনটাকে সুন্নাহ দিয়ে ঘিরি,
চব্বিশ ঘণ্টার ইবাদতে জান্নাত পানে ফিরি।