1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

চট্টগ্রামে গলা কেটে মাকে হত্যা, পলাতক ছেলে-পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

বুধবার (১ এপ্রিল) কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রবাসীর পাঠানো মায়ের ওষুধের টাকা আত্মসাৎ ও পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. কাশেম (২৮) ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার (২৫)। তারা চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) একই এলাকার বাসিন্দা। তার বড় ছেলে প্রবাসে থাকেন। ছোট ছেলে কাশেম ও পুত্রবধূ নারগিছের সঙ্গে তিনি বসবাস করতেন। প্রবাসী ছেলে মায়ের ওষুধের জন্য নিয়মিত টাকা পাঠালেও কাশেম সেই টাকা নিজের কাজে ব্যবহার করতেন। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ সৃষ্টি হতো।

গত বছরের ৫ জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোরের মধ্যে কোনো এক সময়ে কাশেম ও তার স্ত্রী মিলে ধারালো দা দিয়ে রেহেনা বেগমের গলা কেটে হত্যা করে। পরে রক্তাক্ত কাপড়চোপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখা হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে গত বছরের ৮ জুন বাঁশখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায় এবং দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় লুকিয়ে ছিল।

চট্টগ্রাম র‍্যাবের সহকারী পরিচালক এ আর এম মোজাফফর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে র‍্যাবের কক্সবাজার ইউনিটের সহযোগিতায় চকরিয়া থানাধীন লক্ষ্ম্যারচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাঁশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট