1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাস নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

শাপলা কলি প্রতীকের পক্ষে কাজ, ইমামতি গেল খতিবের

অনলাইন ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির নেতা সারজিস আলমের ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে এক মসজিদের খতিবকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের কুচিয়ামোড় জামে মসজিদের।

অব্যাহতি পাওয়া খতিবের নাম আব্দুল জব্বার। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভের পরদিন, ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে তাঁকে দায়িত্ব পালন না করতে বলা হয় বলে দাবি করেছেন ওই খতিব।

খতিব আব্দুল জব্বার বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলমের পক্ষে কাজ করেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি এই মসজিদে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

কোনো কারণ ছাড়াই তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দল করা এবং শাপলা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচন করাই তাঁর জন্য কাল হয়েছে। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাসা থেকে বের হতে পারছেন না বলেও জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সুবহান বলেন, দল করার কারণে ইমামতি চলে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা চাই দেশে ইনসাফ কায়েম হোক এবং আলেম-ওলামারা যেন নির্ভয়ে সত্য কথা বলতে পারেন।

আরেক বাসিন্দা জয়নাল আবেদীনও এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল হাকিম নামের এক ব্যক্তি, যিনি আগে স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তিনি বলেন, ইমাম সাহেব ৫ আগস্টের পর থেকে নামাজের সময় দীর্ঘ রাজনৈতিক বক্তব্য দিতেন এবং প্রকাশ্যে দলীয় কর্মকাণ্ড করতেন। আমরা তাঁকে চূড়ান্তভাবে বাদ দিইনি, শুধু বলেছি আপাতত নামাজ পড়াতে না আসতে।

মসজিদের সভাপতি আব্দুল হালিম জানান, তাঁরা বিষয়টি নিয়ে বসেছিলেন এবং রমজান মাসের পর তাঁকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের কারণে খতিবকে সরিয়ে দেওয়াটা অন্যায় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট