প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬, ৫:৩৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারী ৩১, ২০২৬, ১:০৭ পি.এম
চৌদ্দগ্রামে জামায়াত-বিএনপি’র সং’ঘ’র্ষ, আ’হত ৮
চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সমাবেশ থেকে ফেরার পথে বাকবিতণ্ডার জের ধরে জামায়াত ও বিএনপির সং'ঘ'র্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৮ জন আ'হ'ত হয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।
শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আ'হতরা হলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী, উপজেলা দক্ষিণ শিবির সভাপতি রিফাত সানি, জামায়াত নেতা রবিউল হোসেন রকি, জাকারিয়া রাসেল ও কাজী রাসেল। তাৎক্ষনিক আহত অন্যরে নাম জানা যায়নি। আ'হ'তদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এলাকায় পৌঁছলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের দেখে বিভিন্ন ধরণের উসকানিমূলক কথা বলতে থাকেন। এ সময় জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় গ্রপের মধ্যে সং'ঘ'র্ষ বেঁধে যায়। উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আ'হ'ত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা আমিরে জামায়াতের সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপির অ'স্ত্র'ধারী চিহ্নিত স'ন্ত্রা'সী মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে তাদের ওপর হা'ম'লা চালায়। এ ঘটনায় আমাদের অন্তত ৫ নেতাকর্মী আ'হ'ত হয়েছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মিজান খান ও মোবারক চৌধুরীকে আকাধিকবার ফোন করা হলেও তাদের নাম্বারটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী জানান, শনিবার দুপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানের বাড়ীতে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা সমাবেশ শেষে ফেরার পথে আক্রমণ করে ব্যাপক ভাং'চুর চালায়। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির নেতারা এগিয়ে আসলে জামায়াত-শিবির পুণরায় তাদের ওপর হা'ম'লা চালায়। এ সময় আমি ও আমার গাড়ী চালক আ'হ'ত হই।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত থানা পুলিশের একটি টিম ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। বর্তমানে পরিস্থতি শান্ত রয়েছে। বিস্তারিত পরে জানাতে পারবো।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত