1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জে বাইশগাঁও বাজারের ব্রিজের গার্ডার ভাঙার অভিযোগ, তদন্তে এলজিইডি মদিনায় মহি কন্ট্রাক্টিং কোম্পানির প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন আগামীকাল সকাল ১০টায় কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন মেজর আখতারুজ্জামান আকাশে তাকিয়ে থাকি -কোহিনূর আক্তার মনোহরগঞ্জে এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে অসন্তোষ, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি মনোহরগঞ্জে আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের সংবাদ সম্মেলন মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৩১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মোবারক, সম্পাদক মেহেদী মনোহরগঞ্জে আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অস্ত্রের মহড়ার টিকটক ভিডিও: মনোহরগঞ্জে কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার মনোহরগঞ্জে শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন।

বাউফলে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাতে অটোরিকশাচালক নিহত

স্টাফ রিপোর্টার:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলে সুজন হাওলাদার (৩০) নামে এক অটোরিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মূনঈমুল ইসলাম মিরাজ (২৮) ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

সোমববার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের আমিরবাদ গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সুজন মদনপুরা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড দ্বিপাশা গ্রামের নবী আলি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক।

অভিযুক্ত মুঈনুল ইসলাম মিরাজ কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়ণপাশা গ্রামের মঞ্জু হাওলাদারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের আমিরাবাদ বাজারে নিজের অটোরিকশায় বসা ছিলেন নিহত সুজন। এসময় হঠাৎ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মূনঈমুল ইসলাম মিরাজের, তার ছোট ভাই মোরসালিন ইসলামসহ ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি সুজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রাজনৈতিক পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত সুজনের চাচাতো ভাই মিজান উদ্দিন বলেন, সুজন আমাকে ফোন দিলে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। আমি গিয়ে দেখেছি আমার ভাই রাস্তা পাশে পরে আছেন এবং মঞ্জু হাওলাদারের ছেলে ছাত্রদল নেতা মিরাজ, সুজন ও মোরসালিসহ ১০ -১৫ জন দেশীর অস্ত্র নিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন।

নিহত সুজনের বাবা নবী আলী হাওলাদার বলেন, জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের ভাতিজারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমার ছেলেকে মানুষজন সাহায্য করে একটি অটোরিকশা কিনে দিয়েছে। অটো চালিয়ে সংসার চালাতেন সুজন। তারা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটালো আমরা জানিনা।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মিরাজুল ইসলাম বলেন, তার শরীরের ডান পায়ে তিনটি স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং পিঠের বাম পাশে একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে৷ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

অভিযুক্ত মুঈনুল ইসলাম মিরাজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার মন্তব্য জানা যায়নি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, মিরাজ ও তার ভাইসহ কয়েকজন এ হত্যাকাণ্ডের ঘটিয়েছেন। কি কারণে ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানতে পারিনি। তদন্ত চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট